মোঃ আবদুল্যাহ চৌধুরী, নোয়াখালী প্রতিনিধি:-
প্রতিনিয়ত সড়কে ঘটছে দুর্ঘটনা, এবং সিএনজি চালিত অটোরিকশায় মাত্রাতিক হারে দিন দিন বাড়ানো হচ্ছে ভাড়া, এতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সহ নিন্ম আয়ের মানুষ গুলোকে। জেলা শহর মাইজদী-সোনাপুর থেকে কবিরহাট হয়ে বসুরহাট সড়কে পূর্বে বাস থাকলেও বিগত সময় কোন এক অদৃশ্য শক্তির কারণে সেটি বন্ধ হয়ে গেলে এখানে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ছাড়া আর কোন যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুর ১টার সময় নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলার কবিরহাট বাজারের জিরো পয়েন্ট বিভিন্ন ব্যবনারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে সাংবাদিকরা বলেন, কবিরহাট তথা কোম্পানীগঞ্জের শিক্ষার্থী ও নিন্ম আয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি এই সড়কে পূণরায় বাস চালু করা, কিন্তু কে শুনে কার কথা, সেই থেকে মানবিক কথা চিন্তা করে আজ দুপুরে কবিরহাটে কর্মরত সাংবাদিকদের আয়োজনে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা সহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্মারক লিপি প্রধান এবং জেলা বাস মালিক সমিতির সাথে স্বাক্ষাৎ করার ব্যবস্থাও করা হয়। এতে দেখা যায় সাংবাদিকদের সমর্থন জানিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোও এগিয়ে আসেন, সাংবাদিকদের একটাই চাওয়া এই সড়কে যদি বিআরটিসি ও লোকাল বাস সার্ভিস অতি দ্রুত চালু করা না হয় তাহলে ভবিষ্যতে আরো কঠোর আন্দোলনের ডাক দিবেন তারা।
এই আন্দোলনে সব সময় পাশে থেকে সার্ভিক সহযোগিতা সহ স্থানীয় সংসদ সদস্যেক অতিদ্রুত এই সকড়ে বাস চালু করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন মানবিক সংগঠন সেবার আলো ফাউন্ডেশন।
জামায়াতের কবিরহাট উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা মোঃ ইয়াসিন বলেন, সাংবাদিকদের এমন মহৎকর্মকে সাধুবাদ জানিয়ে যতদিন পর্যন্ত এই রাস্তায় বাস চালু না হবে ততদিন নিজেরা একতাবদ্ধ হয়ে সরকার দলীয় লোকদের নিয়ে মাঠে থাকার প্রতিশ্রুতী দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কবিরহাট উপজেলা শাখা।
জেলা বিএনপির সদস্য ও কবিরহাট পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু বলেন, আগামী ৩০ তারিখে নোয়াখালী ৫ আসনের এমপি ফখরুল ইসলাম নোয়াখালীতে আসলে সাংবাদিকদের নিয়ে বাস চালুর বিষয় আলাপন সহ আগামী ১০/১৫ দিনের মধ্যে যদি এই সড়কে বিআরটিসির বাস চালু না করা হয় তাহলে নোয়াখালীতে বিআরটিসির বাস চালাতে না দেয়ার ঘোষণাও দেন সরকার দলীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এমতাবস্তায় এমপি ও বাস মালিক সমিতির প্রতি এই অঞ্চলের সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সেচ্ছাসেবী সংগঠন ও এলাকাবাসী জোরালো দাবি, অনতিবিলম্বে জেলা শহর মাইজদী থেকে বসুরহাট পর্যন্ত বাস সার্ভিস চালু করে এই এলাকার শিক্ষার্থী সহ নিন্ম আয়ের মানুষের জনদুর্ভোগের লাগাম টানা হয়।