ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২২ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. সারাদেশ
  3. উদ্যোক্তা

রিয়েল এস্ট্যাট অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি

প্রতিবেদক
সম্পাদক
৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৩ সকাল

Link Copied!

লিয়াকত আলী ভুইঁয়া

এখন রিয়েল এস্টেট খাত আর শুধু জমি কেনাবেচা বা ভবন নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি একটি বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক ইঞ্জিনে পরিণত হয়েছে। পরিকল্পিত নগরায়ণ, শিল্পায়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে এই খাত সরাসরি যুক্ত। ফলে সরকারের রাজস্ব আয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

রিয়েল এস্টেট খাত রাজস্ব আহরণের একটি বড় উৎস। জমি ক্রয়-বিক্রয়, রেজিস্ট্রেশন ফি, স্ট্যাম্প ডিউটি, ভ্যাট, আয়কর ও সম্পদ কর সব মিলিয়ে সরকার বিপুল রাজস্ব পায়। একটি প্রকল্পের শুরু থেকে হস্তান্তর পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সরকার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আয় করে। পাশাপাশি নির্মাণসামগ্রীর ওপর আরোপিত কর উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আসে। থেকেও

এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম বড় খাত। প্রায় ৪০ লাখ মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে এই খাতের সঙ্গে যুক্ত। নির্মাণশ্রমিক, প্রকৌশলী, স্থপতি, বিপণনকর্মী, ব্যাংকার- সবাই এখানে কাজের সুযোগ পান। এ ছাড়া পরিবহন, ফার্নিচার, হার্ডওয়্যার ও বিমা খাতেও কর্মসংস্থান বাড়ে।

রিয়েল এস্টেট একটি লিংকেজ খাত। একটি আবাসন প্রকল্প মানেই সিমেন্ট, স্টিল, সিরামিক, কেবল, স্যানিটারি, অ্যালুমিনিয়ামসহ বহু শিল্প সক্রিয় হয়ে ওঠে। এতে উৎপাদন বাড়ে, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হয় এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

পরিকল্পিত আবাসন ও স্যাটেলাইট সিটি গড়ে তুলতে পারলে দীর্ঘমেয়াদে সরকারের উন্নয়ন ব্যয় কমবে। সুপরিকল্পিত অবকাঠামো থাকলে পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সড়ক ব্যায়াপনা সহজ নয় এবং অপরিকল্পিত বসতি কমে যায়।

আধুনিক বাণিজ্যিক ভবন, আইটি পালা ও শিল্পপার্ক গড়ে উঠলে বিদেশি বিনিয়োগস আগ্রহী হন। উন্নত অবকাঠামো আ রপ্তানিমুখী শিল্প বাড়ে এবং বৈদেশিক আয় বৃদ্ধি পায়। ফলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়।

ব্যাংক ঋণ, হোম লোন ও বিনিয়োগ স্কিমের স্কিমের মাধ্যমে এই খাত অর্থনীতিতে লিকুইডিটি বাড়ায়। এতে বিনিয়োগচক্র সচল থাকে এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম গতিশীল হয়।

পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। সৌরবিদ্যুৎ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং শক্তি-সাশ্রয়ী নকশা ব্যবহার করলে দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশ

অর্থনীতি- দুটোই উপকৃত হবে। সরকার চাইলে এ খাতে প্রণোদনা দিতে পারে। কক্সবাজার ও কুয়াকাটার মতো এলাকায় হোটেল, রিসোর্ট ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো গড়ে ওঠায় পর্যটন খাত বিস্তৃত হয়েছে। এতে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ছে।

রিয়েল এস্টেট খাতকে যদি সঠিক নীতি সহায়তা, স্বচ্ছতা এবং সহজ ঋণপ্রাপ্তির মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে এটি সরকারের অর্থনৈতিক ভিত আরও শক্তিশালী করবে। রাজস্ব বাড়বে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং সামগ্রিক অর্থনাত আরও গতিশীল হবে।

আরও পড়ুন

মান্দায় এলজিইডির কার্যসহকারীকে জিম্মি করে ব্ল্যাকমেইল, গ্রেপ্তার ৩

কমলাপুর স্টেডিয়ামের সব দোকানের বরাদ্দ বাতিল

তাক লাগানো ফল, নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলের ৩৮২ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫

অলি আহমদের জন্য মনোনয়নপত্র নিল ১১ দল

ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু আজ

চাটখিলে সাবেক ছাত্র সমন্বয়ককে হামলার অভিযোগ,পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে আহত ১১

সৌদি আরবে সোফা কারখানার আগুনে নিহতদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁয়

নেত্রকোনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন গ্রেপ্তার

গোপালগঞ্জে এক লাখ টাকা ধার ফেরত চাওয়ায় দম্পতিকে মারধরের অভিযোগ

ঘুষ নিয়ে টালবাহানা, টাকা ফেরত না দিয়ে হুমকি, নড়াইল ভূমি অফিসের কর্মচারীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

গোপালগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে সেবার গতি বাড়াতে উদ্যোগ

গফরগাঁও-মাওনা সড়ক অধিগ্রহণের ভূমি ও স্থাপনায় বন্টন বাণিজ্য ; দালাল ছাড়া দুর্ভোগে মালিকগণ