বিপ্লব ইসলাম,
লংগদু,(রাংগামাটি)
জায়গা সংক্রান্ত ঝামেলা নিয়ে দু’পক্ষের মাঝে মারামারি।এতে গুরুতর আহত হয়ে দু’পক্ষের চারজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
রাংগামাটি জেলার, লংগদু উপজেলার, আটারকছড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড এলাকার কাঠাল তলায় (১৪ এপ্রিল) গত সোমবার এঘটনা ঘটে।
প্রথম পক্ষ ওলি উল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে জানাজায়, তারা সন্ধ্যার সময় খবর পায় তাদের জায়গায় পাশ্ববর্তী কুদ্দুস গর্ত করে গাছের চাড়া রোপন করছে। তখন ওলি উল্লাহর বাড়ির মা বোন সহ তার পরিবারের তিন চার জন মহিলা ঘটনা স্থলে পৌঁছায় এবং সেখানে গাছ লাগানোর জন্য গর্ত দেখতে পেলে গর্ত গুলো মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করলে, তখনি কুদ্দুস এবং তার পরিবারের লোকজন লাঠি দা কোদাল নিয়ে এসে আমার পরিবারের মহিলাদের উপর এলোপাতাড়ি আক্রমণ করেন। এতে করে আমার বোনের শরীরের বিভিন্ন অংশে কোদালের কুপের কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও আমার মা এবং চাচিও আক্রমণে ক্ষতি গ্রস্ত হয়ে শরীরে দা এর কোপ লাগার কারনে বর্তমানে তারা খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন। অলি আরো বলেন দীর্ঘ দিন যাবত কুদ্দুস আমাদের হুমকি দিয়ে আসছেন জায়গা ছেড়ে দিতে। ঘটনার দিন আমরা পুরুষরা ঘটনা স্থলে না থাকায় আমার পরিবারের মহিলাদের সুযোগ পেয়ে পরিকল্পিত ভাবে তারা গুরতর আহত করেন।
এবিষয়ে কুদ্দুস আলী জানান,আমি আমার জায়গায় বাড়ি করে ঘরে দীর্ঘ দিন যাবত বসবাস করে আসছি। ওলি এবং তার পরিবারের লোকজন কিছু দিন পর পর এসে ঝগড়া করে। এনিয়ে বেশ কয়েকবার স্থানীয় ভাবে বিচারও করা হয়।কিন্তু তারপরেও তারা আমার ফ্যামিলির সাথে ঝামেলা করেই যাচ্ছে। ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর তারা আরো এক কিলোমিটার দুর থেকে এসে আমার বাড়িতে হামলা করে। আমাকে এবং আমার পরিবারের লোকজনকে মারধর করে তারা নিজেরাই নিজেদের শরীর ক্ষতবিক্ষত করে হসপিটালে ভর্তি হয়। এমনকি তাদের আক্রমণে আহত হয়ে আমার পরিবারের একজন ও গুরুতর আহত হয়ে হাসাপতাল ভর্তি আছেন।
এবিষয়ে স্থানীয়, সাক্ষীরাও ঘটনাটি ঘটার সত্যতা নিশ্চিত করেন। দুই পক্ষের মারামারি স্থানীয়রা সমাধান করার চেষ্টা করেন।
সাবেক ইউপি সদস্য চাঁন মিয়া বলেন, দুই পক্ষ দীর্ঘদিন যাবত ঝগড়া করে আসছে। তবে আমার জানামতে ওলি উল্লারা এ জায়গার মালিক। তারপরেও ভূমি অফিস ও প্রশাসনের সহযোগীতায় জমির মূল মালিক নির্ধারণ করে ভূমি বিরোধটি দ্রুতই নিষ্পত্তি করা উচিৎ।