ঢাকাসোমবার , ৬ এপ্রিল ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. গণমাধ্যম

সাংবাদিকতার দায়িত্ব ও নৈতিকতাবিষয়ক আইন হওয়া প্রয়োজন: তথ্য উপদেষ্টা

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
৩০ এপ্রিল ২০২৫, ৩:১৬ বিকাল

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সাংবাদিকদের জন্য সুরক্ষা আইনের পাশাপাশি সাংবাদিকতার দায়িত্ব ও নৈতিকতাবিষয়ক আইন হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম।

তিনি বলেন, “কোনো সাংবাদিক দায়িত্বশীল ও পেশাদার না হলে তিনি আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন না।”

আজ মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছরে গণমাধ্যমের বাস্তবতা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ওই সময় অনেক সাংবাদিক ভয়ে নয়, বরং লোভে পড়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। তারা সাংবাদিকতার চেয়ে শেখ পরিবারের ভাবমূর্তি রক্ষায় অনেক বেশি তৎপর ছিলেন। ফ্যাসিবাদী সরকারের দালালি করে অনেক সাংবাদিক বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদের মধ্যে থাকায় অনেক সাংবাদিকের মধ্যে এক ধরনের সেলফ-সেন্সরশিপ কাজ করছে। এই অবস্থা দ্রুত পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন।

সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে মাহফুজ আলম বলেন, “অসত্য সংবাদ প্রকাশের ফলে অনেকের জীবন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।”

গণমাধ্যমে বিদ্যমান সংকট সমাধানে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি। তার মতে, রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া গণমাধ্যমের উন্নয়ন সম্ভব নয়।

এ সময় তিনি গণমাধ্যমে ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ বলেন, “এখন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে টেলিফোন করে চাপ দেওয়া হচ্ছে না—এটি গণমাধ্যমের জন্য ইতিবাচক দিক।”

সাংবাদিকতার অপব্যবহারকে ‘দুর্বৃত্তায়ন’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকতার অপব্যবহার অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। তিনি গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ আ মামুন।

তিনি তার প্রবন্ধে বিগত সরকারের আমলে গণমাধ্যমের অপেশাদার আচরণের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সময় শিকারি সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষকে অপরাধী বানিয়ে শাস্তি দেওয়া হতো। এক ধরনের ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করাই ছিল শিকারি সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য।

প্রবন্ধে আরও আলোচিত হয়, গত ১৫ বছরে সরকার কীভাবে গণমাধ্যমকে প্রভাবিত করেছে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. কাউসার আহাম্মদ, প্রধান তথ্য অফিসার মো. নিজামূল কবীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন

কটিয়াদী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মফিজ উদ্দিন,সাধারণ সম্পাদক হামিদ হাসান

সাংবাদিক কার্ড ও স্টিকার ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের ক্ষোভ

এফবিজেও’র উদ্যোগে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রায়গঞ্জে যুবদল নেতার ওপর নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত আমজাদ

ফেনী ২ আসনে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হতে হবে তথ্য ক্যাডারকে

ওসমান হাদী হত্যার প্রতিবাদে ফেনীতে গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের ফেনীতে শোক ও সংহতি সমাবেশ

গোবিন্দগঞ্জে সাংবাদিক শাহ আলম সাজুর গ্রেফতারে তীব্র নিন্দা ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি

কসাই মানে না নিয়ম, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা দেখেও চুপ — দেশজুড়ে বাড়ছে অ্যানথ্রাক্সের ভয়!

বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে পরিবেশ উপদেষ্টার আহ্বান: পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের বৈঠক

চাকরি করার জন্য নয়, মানুষের জন্ম উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য: প্রধান উপদেষ্টা